রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের বিশাল এক অভিযোগ উঠে এসেছে।
টিম অভিযোগ বাংলাদেশ এর অনুসন্ধান ডেস্ক থেকে জানা গেছে যে, বিগত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের আর্শিবাদপুষ্ট জনাব আজিজুর রহমান প্রধান শিক্ষক, শের এ বাংলা নগর বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করার পরেই তার ক্ষমতার তান্ডব শুরু হয়।
তিনি স্কুলে অন্যান্যা শিক্ষক শিক্ষিকার মাঝে পরিচয় দিতেন যে, আমি সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের খুব আস্হাভাজন এবং মন্ত্রীর সুপারিশে আমি এই স্কুলে যোগদান করি, এই ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি স্কুলে এাসের রাজত্ব কায়েম করেন।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষিকা টিম অভিযোগ অনুসন্ধান টিম কে জানান যে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় বিদ্যালয়ের বিভিন্নরকম উপঢৌকন নিয়মিত যেতো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বাসায়।
পূর্ব বর্তী প্রধান শিক্ষকের মোঃ শফিকুর রহমান অবসরে যাওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটির ফান্ডে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা রেখে যান এই পুরো টাকাটি স্কুলের বিভিন্ন রকম উন্নয়নের নামে খরচ করেছেন কিন্তু তার সঠিক হিসেব নিকাশ দিতে পারেনি, স্কুলের ছাএছাএীদের অভিভাবকগণ দুদক এবং মাউশি বরাবর এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে তদন্তের নির্দেশ দিলে, তদন্ত করতে একটি তদন্ত কমিটি আসেন, তদন্ত কমিটিকে প্রধান শিক্ষক সঠিক তথ্য সরবরাহ করতে না পেরে সময় চান এবং তিনি এরিমধ্যে নতুন অনেকগুলো ব্যাকডেটে ভাউচার নতুনভাবে তৈরি করে তার মদদপুষ্ট শিক্ষক শিক্ষিকার মাধ্যমে হিসাব নিকাশ মিলানোর চেষ্টা করছেন, কিন্তু এই খরচ কোথায় কিভাবে করেছেন তার দৃশ্যমান নয়। এগুলো কে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শিক্ষকেরদের মধ্যে তাকে সহযোগিতা করছেন অশোক চন্দ্র বিশ্বাস, খান মোঃ আরিফুজ্জান, এখলাস উদ্দীন এবং হামিদা টুকু সহ আরো বেশ কয়েকজন এই বিষয়ে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ দৈনিক গণজাগরণ পএিকায় একটি রিপোর্ট প্রকাশ হয়।
টিম অভিযোগ ডেস্ক এর অনুসন্ধানী টিম, তদন্ত কমিটির প্রধান মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ঢাকা অঞ্চল, জেলা শিক্ষা অফিস এর উপপরিচালক জনাব ডক্টর মোস্তাফিজুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন যে বিষয় টি এখনো তদন্তাতাথীন তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেওয়া হবে।
স্কুলের আরো কিছু অনিয়ম দূর্নীতির কিছু দৃশ্য দেখা যাক।
তৃতীয় শ্রেণীর একজন স্টুডেন্ট ভর্তির জন্য জন্ম নিবন্ধন সঠিক বয়সে না দেখিয়ে কম বয়স দেখে ভর্তি করেন এক্ষেত্রে শিক্ষকদের মাঝে জানাজানি হলে ওই স্টুডেন্ট কে টিসি দিয়ে বের করে দেওয়া হয় কিন্তু টিসির কোন কারণ উল্লেখ করা হয়নি, তার কারণ এখানে প্রধান শিক্ষক মোটা অংকের একটা অর্থ লেনদেন করেন গার্ডিয়ান এর কাছ থেকে এছাড়াও শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ রেখে উনি বিভিন্ন রকম নিয়োগ পরিক্ষা নিয়ে থাকেন স্কুলের ল্যাবের রুমগুলোর কার্যক্রম বাদ দিয়ে তিনি সেখানে অতিরিক্ত বেঙ্চ বসিয়ে নিয়োগ পরিক্ষা নেন। এইকারণে স্কুলের ছাএছাএী এবং অভিভাবক সমাজ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নিয়োগ পরিক্ষায় শিক্ষকদের জন্য যে সম্মানী টা আসে তা তিনি সঠিক ভাবে বণ্টন না করে নিজের কাছে রেখে দেন এইজন্য অনেক শিক্ষক তার আচরণে ক্ষিপ্ত।
অএ স্কুলের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব এ এস এম আতিকুল ইসলাম সাহেবের ছেলে অএ স্কুলের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার মেধাবী একজন শিক্ষার্থী, ভর্তি রেজিস্ট্রারে নাম আকিফুল ইসলাম এর স্হলে আকিমুল ইসলাম লেখা হয় কিন্তু অষ্টম শ্রেণির রেজিষ্ট্রেশন এ তার নাম আকিফুল ইসলাম আসে, তবে তার মায়ের নাম সঠিক না আসায় ভুল সংশোধন এর আবেদন করেন যা প্রধান শিক্ষকের ফরওয়ার্ডিং এ থাকে, কিন্তু এবিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে নিলে ভর্তি রেজিস্টারে এ ভুল নামটি দিয়েই স্বাক্ষর করে দেন। এই বিষয়টি নিয়ে অনেক ঝামেলার পর এটি ঠিক করে দেন তবে মাঝখানে তাকে অনেক অপমান অপদস্ত করেন তার ছেলেকেও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন, এই মর্মে জনাব আতিকুল ইসলাম সাহেব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন কিন্তু ফ্যাস্টিট সরকারের সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের আর্শীবাদপুষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্হা নেয়নি।
তাছাড়াও ক্যাণ্টিন থাকা স্বত্বেও তার কার্যক্রম বন্ধ রেখে ওয়াশ রুমের পাশে একটা শ্রেণিকক্ষের মধ্যে শিক্ষার্থীদের খাবার তৈরি করা হয় যা পরিবেশগত ভাবে অস্বাস্থ্যকর।
শিক্ষকরা তার অপকর্মের বিরুদ্ধে কিছু বললেই বদলির হুমকি দেন।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

