1. [email protected] : admi2019 :
| বঙ্গাব্দ

আটক হলো মা কুকুরের বুক থেকে ৮ টি কুকুর ছানাকে কেরে নিয়ে পানিতে ডুবিয়ে মেরে ফেলা সে নারী

রিপোর্টারের নামঃ আফসানা রহমান মোনা
  • আপডেট টাইমঃ 03-12-2025 ইং
  • 6059 বার পঠিত
ad728

গত রাতে ঈশ্বরদীর একটি ঘটনায় নতুন মোড় নেয়—স্থানীয় প্রাণী সম্পদ উপদেষ্টা ও উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুনের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত নিশি রহমানকে তাদের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী নিশি রহমানের বিরুদ্ধে ৮টি কুকুরছানা হত্যার ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুকুরছানাগুলোর উপর নির্মম আচরণ এবং হত্যার ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন ঘটনাস্থলে এসে তদন্তেরসহায়তা ও প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেন। অভিযোগপ্রসূত প্রতিবেদন ও প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে আকলিমা খাতুন মামলা দায়ের করেন এবং সেই মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত নিশি রহমানকে গত রাতে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের বিষয়ে থানায় আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চলছে বলে জানা গেছে।


এলাকার মানুষজন ও পশুপ্রেমীদের মধ্যে এই ঘটনার খবর সমানভাবে সমবেদনাপূর্ণ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—কী কারণে এমন নির্মমতা করা হলো এবং এই ঘটনায় যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে কি না। প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তার তৎপরতার ফলে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করা হওয়ায় কিছুটা হলেও ন্যায়প্রক্রিয়ার আভাস মেলেছে বলে অনেকে উল্লেখ করেছেন।


বর্তমানে গ্রেফতারের পর সংশ্লিষ্ট থানা কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও স্বাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার সঠিক সময়, পদ্ধতি এবং পরিচালনায় অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না—এই সকল বিষয় তদন্তে উঠে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। মামলায় আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ এবং কুকুরসহ সকল ঘনবসতিপর প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল। আচরণদানের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন—এমনটাই জানিয়েছেন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পশুপ্রেমী সংগঠক। তারা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন।


অবশেষে বলা যায়, প্রাণী সংরক্ষণ ও কল্যাণের আইনি ও সামাজিক কাঠামো শক্ত করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন নিষ্ঠুর ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম চলছে—নিরপেক্ষভাবে সত্য উদঘাটন হলে সমাজে পশু প্রতি সহমর্মিতা ও বিচার প্রতিষ্ঠা হবে বলে প্রত্যাশা করা যায়।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728