1. [email protected] : admi2019 :
| বঙ্গাব্দ

শেষ প্রান্তের সিদ্ধান্ত, বড় রাজনৈতিক বার্তা: নাহিদ রানার মনোনয়ন সংগ্রহ।

রিপোর্টারের নামঃ মোঃ রাসেদুজ্জামান শুভ
  • আপডেট টাইমঃ 27-12-2025 ইং
  • 5617 বার পঠিত
ad728

শেষ প্রান্তের সিদ্ধান্ত, বড় রাজনৈতিক বার্তা: নাহিদ রানার মনোনয়ন সংগ্রহ।


মোঃ রাসেদুজ্জামান শুভ

বালিয়াডাঙ্গী, ঠাকুরগাঁও 


(শনিবার):

নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ প্রান্তে উপজেলা এবি পার্টির তৃণমূল নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন এবি পার্টির ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী নাহিদ রানা। এই সিদ্ধান্ত শুধু একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি পুরোনো রাজনীতির বিপরীতে সাহসী ও সময়োপযোগী এক রাজনৈতিক বার্তা—যা ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।


মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় নাহিদ রানার পাশে ছিলেন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সংগ্রামী নেতাকর্মীরা। তাঁদের ভাষ্য, শেষ মুহূর্তে ফরম তোলা প্রমাণ করে—নাহিদ রানা রাজনীতি করেন কাগজের হিসাব নয়, মানুষের পালস বুঝে। জনগণের আবেগ, ক্ষোভ ও প্রত্যাশাকে সঙ্গে নিয়েই তিনি এই রাজনৈতিক যাত্রায় নামছেন।


মনোনয়ন সংগ্রহের আগের দিনগুলোতে বালিয়াডাঙ্গীর গ্রাম থেকে বাজার—সবখানেই টানা গণসংযোগ চালান নাহিদ রানা। মসজিদে নামাজ আদায় থেকে শুরু করে হাটবাজার, চা-স্টল ও তরুণদের আড্ডায় তিনি সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দেন প্রচলিত ব্যবস্থার দিকে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,

“এই দেশে নির্বাচন মানেই কোটি কোটি টাকার খেলা—এই ধারণা ভাঙতেই আমি মাঠে নেমেছি। আমি ক্ষমতা চাই না, আমি চাই মানুষের অধিকার।”


তাঁর প্রচারণায় দুর্নীতিবাজ রাজনীতি, লুটপাট ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র অবস্থান উঠে আসে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সংকট, তরুণদের হতাশা, কৃষকের ন্যায্য মূল্য এবং প্রান্তিক মানুষের বঞ্চনার প্রশ্নে তিনি আপসহীন কণ্ঠে কথা বলেন। এর ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষ তাঁকে প্রতিবাদের কণ্ঠস্বর হিসেবে গ্রহণ করতে শুরু করেছে।


মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ দৃশ্যমান হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে ঘিরে আলোচনা এখন শুধু সমর্থন নয়, বরং প্রত্যাশার রূপ নিচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, একজন শিক্ষিত, সৎ ও আন্দোলনের ভেতর দিয়ে উঠে আসা প্রার্থী হিসেবে নাহিদ রানা ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বিপরীতে জনগণের রাজনীতির প্রতীক হয়ে উঠছেন।


এ বিষয়ে নাহিদ রানা বলেন,

“এই মনোনয়ন কোনো ব্যক্তির নয়—এটি শোষণের বিরুদ্ধে মানুষের নীরব প্রতিবাদ। দল যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়, তবে সংসদ হবে জনগণের কথা বলার জায়গা, লুটেরাদের আশ্রয়কেন্দ্র নয়।”


রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শেষ মুহূর্তে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত এবি পার্টির রাজনীতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে—আগামী নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে লড়াই হবে ক্ষমতা বনাম জনগণের, টাকার রাজনীতি বনাম আদর্শের রাজনীতির।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728