যশোরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যাচাই-বাছাই: জামায়াত-বিএনপিসহ ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল।
মোঃ রাসেদুজ্জামান শুভ
পীরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি
দিনাজপুর টিভি ডেস্ক রিপোর্ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। যশোর জেলার সংসদীয় আসনগুলোর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনেই বিএনপি ও জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থীসহ ৮ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান এই ঘোষণা দেন। তথ্যের ঘাটতি থাকায় আরও দুই প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
যশোর-১ (শার্শা): বাদ পড়লেন বিএনপি নেতা তৃপ্তিসহ ৩ জন
যশোর-১ আসনে দাখিলকৃত ৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৩টি বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন:
মফিকুল হাসান তৃপ্তি: বিএনপি নেতা (দলীয় মনোনয়নপত্র বা 'বি-ফরম' জমা দিতে না পারায়)।
আবুল হাসান জহির: শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী (এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে ত্রুটি)।
শাহজাহান আলী গোলদার: স্বতন্ত্র প্রার্থী।
এছাড়া তথ্যের ঘাটতি থাকায় এই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন এবং জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে এই আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে টিকে আছেন জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজীজুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের বক্তিয়ার রহমান।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): জামায়াত ও বিএনপির ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
এই আসনে মোট ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাতিলের কারণগুলো হলো:
ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (জামায়াত): ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত ব্যাংক ঋণ জটিলতা।
মোহাম্মদ ইসহাক ও জহুরুল ইসলাম (বিএনপি): দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারা।
শামসুল হক (বিএনএফ) ও ফিরোজ শাহ (জাতীয় পার্টি): টিআইএন ও ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ না থাকা।
যশোর-২ আসনে বর্তমানে বৈধ প্রার্থীরা হলেন সাবিরা সুলতানা (বিএনপি), ইদ্রিস আলী (ইসলামী আন্দোলন), ইমরান খান (বাসদ) এবং রিপন মাহমুদ (এবি পার্টি)।
প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ
মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গে জামায়াত নেতা ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ জানিয়েছেন, তার ক্রেডিট কার্ডের সমস্যাটি অনেক আগের এবং ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে। তিনি আশাবাদী যে, নির্বাচন কমিশনে আপিলের মাধ্যমে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পাবেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, আগামী ৪ জানুয়ারির মধ্যে জেলার ৬টি আসনের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হবে। যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, তারা বিধি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, যশোর জেলার ৬টি আসনে মোট ৪৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হবে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

