"জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত অবস্থায়ও আন্দোলনে সক্রিয় সালমান, এখন ছাত্রমঞ্চের প্রধান সংগঠক"
মোঃ রাসেদুজ্জামান শুভ || স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত হয়েও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থী সালমান শরীফ এখন নতুন ছাত্রসংগঠন “জাতীয় ছাত্রমঞ্চ”-এর প্রধান সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। গত ২ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে ‘জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)’-এর ছাত্র সংগঠন “জাতীয় ছাত্রমঞ্চ”। শিক্ষার্থীবান্ধব ১১ দফা কর্মসূচিকে সামনে রেখে সংগঠনটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
সংগঠনটির প্রধান সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া সালমান শরীফ ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির একজন অংশগ্রহণকারী আহত যোদ্ধা। ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৬ জুলাই পুলিশ ও ছাত্রলীগের যৌথ হামলায় তিনি আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়। কিন্তু, আহত হওয়ার পরও আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াননি সালমান। বরং রংপুর ও কুড়িগ্রামে ‘এক দফা’ আন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
সম্প্রতি এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আহত হওয়ার পর পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে যে দৃশ্য দেখেছি, তা এখনও আমাকে গভীর রাতে কাঁদায়। জুলাই শুধু একটি গণঅভ্যুত্থান ছিল না, এটি আমাকে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখিয়েছে—মানুষের চূড়ান্ত মুক্তির স্বপ্ন।”
তিনি অভিযোগ করেন, “নয়া বন্দোবস্তের কথা বললেও, জুলাইয়ের নামধারী কিছু রাজনৈতিক শক্তি শেষ পর্যন্ত বিএনপি কিংবা আওয়ামী লীগের মতো পুরোনো ধারার রাজনীতিতেই ফিরে গেছে। যাদের কাছে জুলাইয়ের আগে ঠিকমতো খাওয়ার টাকা ছিল না, ফুটপাথ থেকে কাপড় কিনতে হতো- তারাই এখন কোটি টাকার গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়, ব্র্যান্ডের পোশাক পরে।”
ব্যক্তিগত প্রলোভন প্রত্যাখ্যানের বিষয়টি উল্লেখ করে সালমান বলেন, “জুলাইয়ের আহত যোদ্ধা হিসেবে মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ সুবিধার নানা প্রস্তাব এসেছে, কিন্তু আমি সেগুলো গ্রহণ করিনি। আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যেই ‘জাতীয় ছাত্রমঞ্চ’ গড়ে তুলেছি।”
ভবিষ্যৎ ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি যদি কখনো বড় কোনো দায়িত্বেও যাই অথবা এমপি-মন্ত্রী হই, আমার জীবনধারায় কোনো পরিবর্তন আসবে না—এটাই তরুণ নেতৃত্বের আদর্শ হওয়া উচিত।”
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

